পাতা

সিটিজেন চার্টার

গ্রাহকের জ্ঞাতব্য বিষয়ঃ

*      সান্ধ্য পিক-আওয়ারে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হোন। আপনার সাশ্রয়কৃত বিদ্যুৎ অন্যকে আলো জ্বালাতে সহায়তা করবে।

*      সংযোগ বিচ্ছিন্ন এড়াতে নিয়মিত বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করুন এবং বিলম্ব মাশুল পরিশোধের ঝামেলা থেকে মুক্ত থাকুন।

*      বিদ্যুৎ বিল সাশ্রয়কল্পে মানসম্মত এনার্জি সেভিং বাল্ব(CFL) ও বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবহার   করুন।

*      টিউব লাইটে Electronic Ballast ব্যবহার করে বিদ্যুৎ সাশ্রয় করুন।

*      বিদ্যুৎ একটি মূল্যবান জাতীয় সম্পদ। দেশের বৃহত্তর স্বার্থে এই সম্পদের সুষ্ঠু ও পরিমিত ব্যবহারে ভূমিকা রাখুন।

*      বৎসরান্তে পবিস হতে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের প্রমাণপত্র প্রদান করা হয়ে থাকে। আপনি না পেয়ে থাকলে আজই সংগ্রহ করুন।

*      মিটার রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব আপনার। এর সঠিক সুষ্ঠু অবস্থা ও সীল সমূহের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন।

*      লোড শেডিং সংক্রান্ত তথ্য মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সংশ্লিস্ট এলাকার আওতাধীন অভিযোগ কেন্দ্র থেকে জানা যাবে।

*      বিদ্যুৎ চুরি ও এর অবৈধ ব্যবহার থেকে নিজে বিরত থাকুন ও অন্যকে নিবৃত করুন। বিদ্যুৎ চুরি ও অবৈধ ব্যবহার রোধে আপনার জ্ঞাত তথ্য অভিযোগ কেন্দ্রে অবহিত করে সহযোগিতা করা আপনার দায়িত্ব।

*      ইদানিং একটি সংঘবদ্ধ অসাধু চক্র চালু লাইন হতে ট্রান্সফরমার/ বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি/তার চুরির সাথে জড়িত। সুতরাং আপনার এলাকার উপরোক্ত চুরি রোধে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করুন। বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম চুরি রোধে আপনার এলাকায় চুরি প্রতিরোধ কমিটি গঠন করে পাহারার ব্যবস্থা করুন।

 

শ্রেণী ভিত্তিক বিদ্যমান বিদ্যুতের মূল্যহারঃ

ক্রমিক নং

গ্রাহক শ্রেণি

অনুমোদিত খুচরা বিদ্যুৎ মূল্যহার টাকা/কি.ও.ঘ.

(১)

শ্রেণি-এঃ আবাসিক

 

লাইফ লাইন                     ঃ ১-৫০ ইউনিট

 

 

৩.৮৫

(ক)

প্রথম ধাপঃ

 

১-৭৫       ইউনিট

৩.৮০

(খ)

দ্বিতীয় ধাপঃ

 

৭৬-২০০   ইউনিট

৫.১৪

(গ)

তৃতীয় ধাপঃ

 

২০১-৩০০ ইউনিট

৫.৩৬

(ঘ)

চতুর্থ ধাপঃ

 

৩০১-৪০০ ইউনিট

৫.৬৩

(ঙ)

পঞ্চম ধাপঃ

 

৪০১-৬০০  ইউনিট

৮.৭০

(চ)

ষষ্ঠ ধাপঃ

 

৬০০ ইউনিটের অধিক

৯.৯৮

(২)

বাণিজ্যিক

 

(ক)

ফ্ল্যাট

 

 

৯.৮০

(খ)

অফ-পিক সময়ে

 

 

৮.৪৫

(গ)

পিক সময়ে

 

 

১১.৯৮

(৩)

দাতব্য প্রতিষ্ঠান

৫.২২

(৪)

সেচ

৩.৮২

(৫)

সাধারণ শিল্প

 

(ক)

ফ্ল্যাট

 

 

৭.৬৬

(খ)

অফ-পিক সময়ে

 

 

৬.৯০

(গ)

পিক সময়ে

 

 

৯.২৪

(৬)

বৃহৎ শিল্প

 

(ক)

ফ্ল্যাট

 

 

৭.৫৭

(খ)

অফ-পিক সময়ে

 

 

৬.৮৮

(গ)

পিক সময়ে

 

 

৯.৫৭

(৭)

উচ্চচাপ সাধারণ ব্যবহার(৩৩ কেভি)

 

(ক)

ফ্ল্যাট

 

 

৭.৪৯

(খ)

অফ-পিক সময়ে

 

 

৬.৮২

(গ)

পিক সময়ে

 

 

৯.৫২

(৮)

শ্রেণি- জেঃ রাসত্মার বাতি

৭.১৭

      * পিক সময়ঃ বিকাল ৫টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত

      * অফ-পিক সময়ঃ রাত ১১টা থেকে পরদিন বিকাল ৫টা পর্যন্ত

উপরোক্ত বিদ্যুতের মূল্যহারের সাথে ন্যূনতম চার্জ, ডিমান্ড চার্জ,  সার্ভিস চার্জ ও অন্যান্য শর্তাবলী সহ মূল্য সংযোজন কর যথারীতি প্রযোজ্য হবে। বিদ্যুতের মূল্যহার সরকার অনুমোদিত এবং পরিবর্তন যোগ্য।

অভিযোগ কেন্দ্রঃ

মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ‘‘অভিযোগ কেন্দ্র’’ সমূহে বিদ্যুৎ বিভ্রাট/ লোড শেডিং সংক্রান্ত অভিযোগ জানানো যাবে। এছাড়া মিটার সংক্রান্ত,  বিল পরিশোধের ব্যবস্থা সংক্রান্ত তথ্যও পাওয়া যাবে। আপনার এলাকার বিদ্যুৎ বিভ্রাট বা বিদ্যুৎ সংক্রান্ত অভিযোগ দ্রুত সমাধানের জন্য আপনার এলাকায় অবস্থিত অভিযোগ কেন্দ্রে জানান। সংশ্লিষ্ট এলাকার অভিযোগ কেন্দ্রের মোবাইল নম্বর নিম্নে দেওয়া হইল ঃ

এরিয়া অফিস/ অভিযোগ কেন্দ্রের নাম

 মোবাইল  নং

সদর দপ্তর

০১৭৬৯-৪০১৪০৪

আড়পাড়া বিলিং এরিয়া অফিস

০১৭৬৯-৪০১৪০৫

মহম্মদপুর এরিয়া অফিস

০১৭৬৯-৪০১৪০৬

শ্রীপুর অভিযোগ কেন্দ্র

০১৭৬৯-৪০১৪০৭

লাঙ্গলবাঁধ অভিযোগ কেন্দ্র

০১৭৬৯-৪০১৪০৮

রাজাপুর অভিযোগ কেন্দ্র

০১৭৬৯-৪০১৪০৯

বিনোদপুর অভিযোগ কেন্দ্র

০১৭৬৯-৪০১৪১০

বুনাগাতী অভিযোগ কেন্দ্র

০১৭৬৯-৪০১৪১১

সিংড়া অভিযোগ কেন্দ্র

০১৭৬৯-৪০১৪১২

 

নতুন সংযোগ গ্রহণঃ

 

*    সদর দপ্তর ও আড়পাড়া বিলিং এরিয়া অফিস থেকে নতুন সংযোগের আবেদনপত্র পাওয়া যাবে।

*    আবেদনপত্রটি যথাযথভাবে পূরণ করে নির্ধারিত আবেদন ফি সমিতির সদর দপ্তরে জমা প্রদান করে জমা রশিদ ও প্রয়োজনীয় দলিলাদি সদর দপ্তরে জমাদান করলে আপনাকে একটি নিবন্ধন নম্বর সহ পরবর্তী আগমনের তারিখ জানানো হবে।

*    পরবর্তী আগমনের তারিখে যোগাযোগ করলে আপনাকে ডিমান্ড নোট ও প্রাক্কলন ইস্যু করা হবে। সদর দপ্তরে ডিমান্ড নোটের উল্লিখিত টাকা জমা পূর্বক জমার রশিদ প্রদর্শন করলে সংযোগ প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি কর্তৃক সরবরাহকৃত মিটার ১৫(পনের) দিনের মধ্যে গ্রাহকের আঙ্গিনায় স্থাপন করা হবে। যদি সংযোগ প্রদান সম্ভবপর না হয় তবে তার কারণ জানিয়ে আপনাকে একটি পত্র দেয়া হবে। পরবর্তী মাসে বিলিং সাইকেল অনুযায়ী গ্রাহকের প্রথম মাসের বিল প্রেরণ করা হবে।

*    অভিযোগ কেন্দ্র থেকে নতুন সংযোগ গ্রহণের নিয়মাবলী ও এতদসংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্যাবলী সম্বলিত একটি পুস্তিকা প্রয়োজন বোধে নির্ধারিত মুল্য পরিশোধ সাপেক্ষে সংগ্রহ করা যাবে।

 

 

বিল সংক্রান্ত অভিযোগঃ

      বিল সংক্রান্ত যে কোন অভিযোগ যেমনঃ- চলতি মাসের বিল পাওয়া যায়নি, বকেয়া বিল, অতিরিক্ত বিল ইত্যাদির জন্য সদর দপ্তরে যোগাযোগ করলে তাৎক্ষনিক সমাধান/সম্ভব হলে তা নিস্পত্তি করা  হবে। অন্যথায় একটি নিবন্ধন নম্বর দিয়ে পরবর্তী যোগাযোগের সময় জানিয়ে দেয়া হবে এবং পরবর্তী ৭(সাত) দিনের মধ্যে নিস্পত্তির ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

বিল পরিশোধঃ-

       বিভিন্ন ব্যাংক, সদর দপ্তর ও আড়পাড়া বিলিং এরিয়া অফিসে গ্রাহক বিল পরিশোধ করতে পারবেন।

 

 

বিদ্যুৎ বিভ্রাটের অভিযোগঃ

      মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি নির্দিষ্ট ‘‘অভিযোগ কেন্দ্র’’ আপনার বিদ্যুৎ বিভ্রাটের অভিযোগ জানানো হলে আপনাকে অভিযোগ নম্বর ও নিষ্পত্তির সম্ভাব্য সময় জানিয়ে দেয়া হবে।

*    অভিযোগ নম্বরের ক্রমানুসারে আপনার বিদ্যুৎ বিভ্রাট দূরীভুত করার লক্ষ্যে ২৪ ঘন্টার মধ্যে নিষ্পত্তির ব্যবস্থা নেয়া হবে। কোন কোন ক্ষেত্রে যদি নির্ধারিত সময়ে বিদ্যুৎ বিভ্রাট দূরীভুত করা সম্ভব না হয় তার কারণ গ্রাহককে অবহিত করা হবে।

 

      রশিদ ব্যতিত কোন প্রকার অর্থ প্রদান করবেন না কাঙ্খিত সেবা না পাওয়া গেলে নিম্নোক্ত কর্মকর্তার মোবাইল নম্বরে অভিযোগ করা যাবে। মহাব্যবস্থাপক ০১৭৬৯-৪০০০৪৬

 

নতুন সংযোগের জন্য দলিলাদিঃ

নতুন সংযোগের জন্য আবেদনপত্রের সাথে নিম্নোক্ত দলিলাদি দাখিল করতে হবে

*সংযোগ গ্রহণকারীর পাসপোর্ট সাইজের ২কপি সত্যয়িত ছবি।

* জমির মালিকানা দলিলের সত্যয়িত কপি।

*পৌরসভা/স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বাড়ীর অনুমোদিত সত্যায়িত নক্সা অথবা পৌরসভা/স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নামজারীসহ হোল্ডিং নম্বর এর সত্যায়িত কপি এবং দলিল অথবা দাগ নম্বর, খতিয়ান নম্বর, জমির দলিল, কমিশনারের সার্টিফিকেট( যেখানে নক্সা অনুমোদন নাই)

* লোড চাহিদার পরিমাণ

*জমি/ভবনের (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) দলিল।

*পূর্বের কোন সংযোগ থাকলে ঐ সংযোগের বিবরণ ও সর্বশেষ পরিশোধিত বিলের কপি।

*অস্থায়ী সংযোগের ক্ষেত্রে বিবরণ(প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)

*বৈধ লাইসেন্সধারী কর্তৃক প্রদত্ত ইন্সটলেশন টেষ্ট (ওয়্যারিং) সার্টিফিকেট।

*ট্রেড লাইসেন্স (প্রযোজ্য ত্রে )

*সংযোগ স্থাপনের নির্দেশক নকসা।

*শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপনের নিমিত্তে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন

*পাওয়ার ফ্যাক্টর ইমপ্রুভমেন্ট প্ল্যান্ট স্থাপন(শিল্পের ক্ষেত্রে)

   সার্ভিস লাইন এর দৈর্ঘ্য ১০৫ ফুটের বেশী হবে না।

*বহুতল আবাসিক/বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণ ও মালিকের সাথে ফ্লাট মালিকের চুক্তিনামার সত্যয়িত কপি।

 

৫০কিঃ ওঃ এর উর্ধ্বে সংযোগের জন্য গ্রাহককে আরও যে দলিলাদি দাখিল করতে হবেঃ

 

* পৌরসভা অথবা সংশ্লিষ্ট হাউজিং কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত বাড়ির   নক্সার(সত্যয়িত কপি) উপকেন্দ্রের লে-আউট প্লান।

*সিঙ্গেল লাইন ডায়াগ্রাম

* মিটারিং কক্ষ প্রদানের অঙ্গীকারনামা।

*উপকেন্দ্রে স্থাপিত সব যন্ত্রপাতির স্পেসিফিকেশন ও টেষ্ট রেজাল্ট এবং বৈদ্যুতিক উপদেষ্টা ও প্রধান বিদ্যুৎ পরিদর্শকের দপ্তর থেকে প্রদত্ত উপকেন্দ্র সংক্রান্ত ছাড়পত্র।

 

শিল্প কারখানা ও ৬ তলার অধিক ভবনের সংযোগের জন্য গ্রাহককে আরও যে দলিলাদি দাখিল করতে হবেঃ

 

*পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র(প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)

*  ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর ছাড়পত্রের কপি।

 

নতুন সংযোগের জন্য সমীক্ষা ফিঃ

 

(১) বাড়ী/বাণিজ্যিক/দলগত/দাতব্য প্রতিষ্ঠানের জন্য-

ক) একক আবেদনের ক্ষেত্রে ১০০.০০টাকা

খ)   ২ থেকে ৯জন পর্যন্ত গ্রাহকের ক্ষেত্রেঃ ১০০.০০ টাকা(জনপ্রতি)

গ)   ১০ হতে ২০জন পর্যন্ত গ্রুপ সম্বলিতঃ ১৫০০.০০ টাকা(নির্ধারিত)

ঘ) ২১ জন অথবা তার উপরে ২০০০.০০টাকা(নির্ধারিত)

২)   সেচ কার্যে বিদ্যুৎ সংযোগের ক্ষেত্রেঃ ২৫০.০০ টাকা

(৩) যে কোন ধরণের অস্থায়ী সংযোগের জন্য ১৫০০.০০ টাকা

(৪) শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংযোগের জন্য ২৫০০.০০ টাকা

(৫) বৃহৎ শিল্প সংযোগের জন্য ৫০০০.০০ টাকা

(৬) পোল স্থানান্তর/লইন রুট পরিবর্তন/সমিতি কর্তৃক স্থাপিত সার্ভিস ড্রপ স্থানান্তর ৫০০.০০ টাকা।

 

নতুন সংযোগের জন্য জামানতের পরিমানঃ

 

* আবাসিক/বাণিজ্যিক/দাতব্য প্রতিষ্ঠানের জন্য এক কিলোওয়াট লোডের জন্য ৬০০.০০ টাকা অথবা পরবর্তী এক কিলোওয়াট বা আংশিকের জন্য ২০০.০০ টাকা।

* সেচ কার্যে অগভীর নলকুপ/এলএলপি প্রতি হর্স পাওয়ারের জন্য ৬২৫.০০ টাকা (সেচ অগ্রীম বিদ্যুৎ বিল যা বিলের সাথে সমন্বয়যোগ্য)

গভীর নলকুপ প্রতি হর্স পাওয়ার ১০০০.০০ টাকা( সেচ অগ্রীম বিদ্যুৎ বিল যা বিলের সাথে সমন্বয়যোগ্য)

 

* শিল্প সংযোগের জামানত প্রতি কিলোওয়াট ২৪০৮.০০ টাকা।

 

 

 

 

অস্থায়ী বিদ্যুৎ সংযোগঃ

 

মেলা, আনন্দ মেলা, ধর্মসভা/ধর্মীয় অনুষ্ঠান, নির্মাণাধীন সাইট যেমন- রাস্তা, ব্রীজ ইত্যাদিতে অস্থায়ী সংযোগ দেওয়া যাবে কিন্তু নির্মাণাধীন বাড়ী, শিল্প প্রতিষ্ঠান এবং কমপ্লেক্সে অস্থায়ী সংযোগ দেওয়া যাবে না। ইহা সম্পূর্ণরূপে অস্থায়ী সংযোগ হিসাবে বিবেচিত হবে যাহা কখনই স্থায়ী সংযোগ হিসাবে  রূপান্তরিত করা যাবে না। এই জাতীয় সংযোগের ক্ষেত্রে নিম্ন বর্ণিত শর্তাবলী ও নিয়মাবলী প্রযোজ্য হবে।

(ক) এই সংযোগের জন্য প্রয়োজনীয় মালামাল বইয়ে লিপিবদ্ধ মূল্যের উপর ১১০% মূল্য প্রদান করতে হবে। (ট্রান্সফরমার(এস), লাইটিং এরেষ্টার , ফিউজ কাট আউট , মিটার, মিটার সকেট ব্যতীত)।

(খ) সংযোগ ও বিচ্ছিন্নকরণ ফি সহ বর্ণিত সংযোগ সুযোগ সুবিধা প্রদানের জন্য লেবার খরচ প্রদান করতে হবে।

(গ) সংযোগের জন্য চুক্তিপত্রে উল্লেখিত সময়ের ব্যবহৃত ইউনিটের বিদ্যুৎ বিল অপরাপর চার্জ তফসিল জিপি অনুযায়ী করতে হবে।

(ঘ) যদি অস্থায়ী সংযোগের স্থিতিকাল ছয় মাসের অতিরিক্ত হয় তবে আবেদনকারী গ্রাহক কে ক,খ,গ (হিসাবকৃত বিদ্যুৎ বিল) এর উল্লেখিত সকল খরচ অগ্রীম প্রদান করতে হবে।।

(ঙ) যদি অস্থায়ী সংযোগের স্থিতিকাল নির্দিষ্ট সময়ের অতিরিক্ত এবং এক বৎসরের মধ্যে হইলে সমিতির মহাব্যবস্থাপক তাহা অনুমোদন দিতে পারবেন। যদি স্থিতিকাল এক বৎসরের অধিক প্রয়োজন হয় তবে উহা পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের পবিস উন্নয়ন ও পরিচালন(দঃ) পরিদপ্তরের পরিচালক মহোদয়কে অবহিত পূর্বক অনুমোদন নিতে হবে। এই ক্ষেত্রে উপরে ক এবং খ এ বর্ণিত খরচ সহ ক্লজ ১(গ) (জিপি এবং এল পি তফসিল) এর শর্তাবলী এবং নিয়মাবলী নিরাপত্তা জামানত প্রদান করতে হবে। এই ক্ষেত্রে মাসিক বিদ্যুৎ বিল তৈরী করা হবে।

(চ) ১। যদি পৃথক ট্রান্সফরমার স্থাপনের প্রয়োজন হয়ে থাকে তবে গ্রাহককে ট্রান্সফরমার স্থাপন অপসারণ খরচ ১ ফেজ এর ক্ষেত্রে ২০০০.০০ টাকা এবং তিন ফেজ এর ÿÿত্রে ৪০০০.০০ টাকা পরিশোধ করতে হবে।

    ২। এই ক্ষেত্রে ১ফেজের জন্য মাসিক ট্রান্সফরমার ভাড়া ১০০০.০০ টাকা এবং ৩ ফেজ ব্যাংক এর ক্ষেত্রে ২০০০.০০ টাকা অথবা প্রতি কেভিএ ৬০.০০ টাকা যেটা বেশী পরিশোধ করতে হবে।

(ছ) চুক্তি সমাপ্তির পর যখন অস্থায়ী সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়ে থাকে এবং গ্রাহক কর্তৃক ব্যবহৃত মালামাল ভাল অবস্থায় স্টোরে ফেরৎ প্রদান করা হয়ে থাকে তখন ব্যবহৃত মালামালের ১০০% (শতকরা একশত টাকা) তাহার হিসাবের বিপরীতে সমন্বয় হবে।

(জ) গ্রাহকের কারণে কোন মালামাল/যন্ত্রপাতি বিনষ্ট হলে তবে ১০০% মূল্য গ্রাহকের নিকট হতে আদায় করা হবে।

(ঝ) প্রকৃত বিদ্যুৎ ব্যবহার এবং উপরে উল্লেখিত পদ্ধতি অনুযায়ী গ্রাহক কর্তৃক অতিরিক্ত প্রদান বা গ্রাহকের কাছে পাওয়া থাকলে তাহা চূড়ান্তভাবে সমন্বয় করা হবে।

 

 

 

 

 

 

লোড বৃদ্ধিঃ

 

* নতুন পরিবর্তন ফি প্রদান করতে হবে।

* পবিস-এর সাথে নতুন চুক্তি সম্পাদন করতে হবে।

* লোড বৃদ্ধির জন্য লোড অনুযায়ী কিলোওয়াট প্রতি বিদ্যমান হারে জামানত প্রদান করতে হবে।

* অতিরিক্ত লোডের জন্য সার্ভিস তার/মিটার বদলানোর প্রয়োজন হলে উক্ত ব্যয় গ্রাহককে বহন করতে হবে।

* প্রাক্কলন ও জামানতের অর্থ জমা দানের ৭(সাত) দিনের মধ্যে লোড বৃদ্ধি কার্যকর করা হবে। যদি লোড বৃদ্ধি করা সম্ভবপর না হয় তবে তার কারণ জানিয়ে গ্রাহককে একটি পত্র দেয়া হবে।

 

 

 

 

 

গ্রাহকের নাম পরিবর্তন পদ্ধতিঃ

 

গ্রাহক ক্রয়সূত্রে/ওয়ারিশ সূত্রে লিজ সূত্রে জায়গা বা প্রতিষ্ঠানের মালিক হলে সকল দলিলের সত্যায়িত ফটোকপি ও সর্বশেষ পরিশোধিত বিলের কপি সহ নির্ধারিত ফি অফিসে জমা করে আবেদন করতে হবে। সরেজমিন তদন্ত করে নাম পরিবর্তনের জন্য বিদ্যমান হারে জামানত প্রদান করতে হবে। গ্রাহক জামানত বাবদ উক্ত বিল অফিসে পরিশোধ করে তার রশিদ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জমা দিলে ৭(সাত) দিনের মধ্যে নাম পরিবর্তন কার্যকর করা হবে।

 

অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার, মিটার, মিটারে হস্তক্ষেপ, বাইপাস, বিনা অনুমতিতে সংযোগ গ্রহণ ইত্যাদি ক্ষেত্রে আইনগত ব্যবস্থাঃ

 

বিদ্যুৎ আইনের {(Electricity Act, 1910 & As Amended The Electricity (Amendment) Act, 2006}  ৩৯ ধারা অনুসারে এ ক্ষেত্রে ন্যূনতম ১বছর জেল এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে। তাছাড়া অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহারের প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের মূল্যের ৩ গুণ হারে (পেনাল হারে) বিল প্রদান করা হবে। এছাড়াও উক্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারের দ্বারা যদি বিদ্যুৎ সরবরাহ সংস্থার বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম, মিটারিং সচল করা গেলে মেরামত খরচ অথবা সম্পূর্ণ ধ্বংসপ্রাপ্ত বা পুনরায় সচল করা যাবে না এরূপ সরঞ্জামের জন্য পূনঃস্থাপনের ব্যয় সহ প্রকৃত মূল্য আদায় করা হবে।

ছবি


সংযুক্তি

সিটিজেন চার্টার PDF File সিটিজেন চার্টার PDF File


সংযুক্তি (একাধিক)



Share with :

Facebook Twitter